<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
  <channel>
    <title>DEV Community: Ummah Network</title>
    <description>The latest articles on DEV Community by Ummah Network (@ummahnetwork).</description>
    <link>https://dev.to/ummahnetwork</link>
    <image>
      <url>https://media2.dev.to/dynamic/image/width=90,height=90,fit=cover,gravity=auto,format=auto/https:%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Fuser%2Fprofile_image%2F4158071%2F24930faa-29ad-42ae-bd8a-af0d03d718db.jpg</url>
      <title>DEV Community: Ummah Network</title>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork</link>
    </image>
    <atom:link rel="self" type="application/rss+xml" href="https://dev.to/feed/ummahnetwork"/>
    <language>en</language>
    <item>
      <title>আমাদের সমাজে মেরুকরণের প্রবণতা দিন দিন যেভাবে বাড়ছে</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 02 Nov 2026 06:59:36 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/aamaader-smaaje-merukrnner-prbnntaa-din-din-yebhaabe-baarrche-541n</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/aamaader-smaaje-merukrnner-prbnntaa-din-din-yebhaabe-baarrche-541n</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F0gozyc4f9dnxq22fw1eh.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  তাতে শুধু অমুক তমুক গোষ্ঠী না পুরো জাতিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অনেকে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাক্তির দ্বারা সংগটিত ঘটনা ও নেতিবাচক অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে যেভাবে পুরো একটি অঞ্চল, গোষ্ঠী ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিচার করে সেটি অবশ্যই ভুল। এই রোগ নির্দিষ্ট কোন ঘরানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;সম্প্রতি বিভিন্ন নৈতিক অবক্ষয়মূলক ঘটনা এবং মিডিয়ার ব্যাপক প্রচারণার কারণে সাধারণ শিক্ষিতদের একটা অংশ ঢালাওভাবে সকল আলেম উলামাদের ব্যাপারে কটু মন্তব্য করা শুরু করেছে। ‘আলেমদের থেকে ইসলাম শিখবেনা, আলেমদের দিয়ে নামায পড়াবেনা’ এমনসব ভয়াবহ মন্তব্যও করছে কেউ কেউ। এর মধ্যে একদল তো করছে ইসলামের প্রতি লালিত বিদ্বেষের কারনে, কিন্তু বড় একটা অংশ বিভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়ে এমনটা করছে। অথচ, কোনো কমিউনিটির কেউ অপরাধ করলে নির্দিষ্টভাবে সেই অপরাধী দায়ী হবে, এই কারণে ঐ কমিউনিটির সকল সদস্যকে আকই অপরাধে দায়ী করা কখনোই যৌক্তিক হতে পারেনা। আলেমদের কাছ থেকে দ্বীন না শেখার ঘোষণা দেয়া ডাক্তারদের কাছে চিকিৎসা গ্রহণ না করার ঘোষণার মতই, বরং আরো ভয়াবহ। একইসঙ্গে কমিউনিটির দায়িত্বশীল এবং মুরুব্বীদের জন্য অবশ্যকর্তব্য হল-সকল ধরনের অপরাধ ও নৈতিক পদক্ষেপ রোধে সর্বোচ্চ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এটা না করা হলে আখিরাতে যেমন জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে, দুনিয়াতেও কমিউনিটির নির্দোষ অংশটিকেও শত্রুর পক্ষ থেকে ঢালাও ট্যাগিং এবং অপবাদের শিকার হতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  অপরদিকে মাদ্রাসা শিক্ষিতদের একটা অংশ স্কুল কলেজ পড়ুয়াদেরকে ঢালাওভাবে চরিত্রহীন মনে করে, জেনারেল শিক্ষিত মেয়েদের ব্যাপারে ঢালাওভাবে কুমন্তব্য করে। এটাও মারাত্মক অন্যায়। প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপবাদ দেয়া কিংবা পুরো কমিউনিটিকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা ইসলামের মূলনীতির বিরোধী। হ্যা, অনেক জায়গায় পরিবেশ দূষিত, অনেক জায়গা আছে যেখানে অবস্থান কিংবা শিক্ষাগ্রহণ করাই বৈধ নয়। কিন্তু কোন একটা কমিউনিটির সবাইকে বা অধিকাংশকে নিয়ে ঢালাও মন্তব্য করলে নিশ্চিতভাবেই অনেক মুসলিম নারী-পুরুষকে অপবাদ দেয়ার গুনাহে জড়াতে হবে।
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  একটা গোষ্ঠী বা অঞ্চলের মানুষকে ঢালাওভাবে খারাপ বলার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ তথ্য উপাত্ত থাকতে হয়। কিন্তু বর্তমানে ঢালাওভাবে সমালোচনাকারীদের এমন কোন তথ্য উপাত্তের দরকার হয়না। ওরা আমার মতের বাইরের লোক, ওরা আমার অপছন্দের এলাকার লোক। ব্যাস! দোষী বানানোর জন্য বা কটূ মন্তব্য করার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে আমরা আসলে নিজেদেরকেই বিপদে ফেলব, এর ফলে আমাদের মুসলিম জাতির ঐক্য, সহনশীলতা ও পরোপকারের মানসিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একে অপরের সাথে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়বে। আর আমাদের শত্রুতা তো এটাই চায়।  &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  তারা আমাদেরকে দলে দলে বিভক্ত করে একজনকে অপরজনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে শক্তি ক্ষয় করতে চায় এরপর দুর্বল পেয়ে সবাইকে শেষ করতে চায়। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আলেম উলামা ও জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত কেউ কারো শত্রু নয়, একে অপরের পরিপূরক। মুসলিম সমাজ সুন্দরভাবে চলতে হলে আলেম উলামার যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনি জেনারেল শিক্ষিতদেরও প্রয়োজন আছে, সবাইকে নিয়েই আমাদের সমাজ। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  কেউ কারো দয়া বা করুণার পাত্র নয়, কেউ কারো শত্রু বা বিরোধী নয়। 
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;কারো ভুল হলে সেটাকে কেন্দ্র করে পুরো কমিনিটিকে নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা বা অপবাদ দেয়া মুসলিমের  কাজ নয়,একজন সত্যিকারের  মুসলিমের কাজ হল-ভুলকে ভুল বলা, অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা না করে সঠিক পন্থায় সমাধান ও নিরসন করা, সমস্যাগুলোকে মূল থেকে দূর করার জন্য নিরলস কাজ করা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে আসা। মুসলিমদের বিভিন্ন অংশের ভুল ও অবক্ষয় দেখলে ব্যথিত হওয়া এবং আন্তরিকভাবে শোধরানোর চেষ্টা করা। সবাইকে সাথে নিয়ে উম্মাহর বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কবে বোধোদয় হবে আমাদের?</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 01 Nov 2026 07:18:10 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kbe-bodhodyy-hbe-aamaader-6pi</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kbe-bodhodyy-hbe-aamaader-6pi</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fh3lbxq7i8f30n66gn8j1.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fh3lbxq7i8f30n66gn8j1.jpg" alt=" " width="800" height="800"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
সাতচল্লিশ থেকে একাত্তর, একাত্তর থেকে পচাত্তর, পঁচাত্তর থেকে চব্বিশ- অসংখ্য আন্দোলন সংগ্রামের স্বাক্ষী হয়েছি আমরা। প্রতিবারই এর মাধ্যমে শাসকের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। এত রক্ত ও ত্যাগের পর মানুষ আশা ভরসা করে যাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছে তারাই তাদের সাথে গাদ্দারি করেছে। ক্ষমতা হাতে পেয়ে পুরো দেশকে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে বসেছে। দলীয় লোকদের চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। খাস লোকদের উঁচু পদে বসিয়েছে। পছন্দের লোকদের ব্যাবসা বাণিজ্য এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ করে দিয়েছে। &lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
সরকারের পরিবর্তন হলেও সরকারের নীতির কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারী আমলা, কর্মচারী ও দলীয় লোকদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকার যায় সরকার আসে, ঘুষ, দুর্নীতি, অনাচার, অবিচার আগের মতই চলে, গরীব গরীবই থাকে, ইসলাম বিদ্বেষীদের আস্ফালন আগের মতই থাকে। কোন কিছুর পরিবর্তন হয়না, পরিবর্তন হওয়ার কোন সম্ভাবনাও দেখা যায়না। নতুন সরকারের অনাচার অবিচার দেখতে দেখতে একটা সময় মানুষ আবার নিজেকে এই জুলুমের সাথে মানিয়ে নেয়। অত্যাচারিত হওয়াকেই নিয়তি ভেবে নেয়। এরপর যখন সহ্য সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন আবার মাঠে নামে। &lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এভাবেই চলে আসছে যুগের পর যুগ, হাজারো প্রাণ বিলিয়েও পাচ্ছেনা কেউ একটুখানি সুখ। মানুষ কেমন যেন একটা বৃত্তের মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। এক কুমিরের মুখ থেকে বেরিয়ে আরেক কুমিরের মুখে পড়ছে। &lt;br&gt;
এই চিত্র শুধু আমাদের দেশের নয়, আশে পাশের দেশগুলোর চিত্রও একই। কথিত সভ্য রাষ্ট্রগুলোর চিত্রও এর থেকে ভিন্ন নয় বরং আরো ভয়াবহ, তারা শুধু নিজ দেশেই জুলুম নির্যাতন করছেনা, অন্য দেশে গিয়েও লুটতরাজ জুলুম নিপীড়ন চালাচ্ছে।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
কিন্তু প্রশ্ন হল কেনো এত ত্যাগ এত কোরবানীর পরও মানুষের ভাগ্যের বদল হচ্ছেনা ? কেনো দেশ থেকে জুলুম নির্যাতন বিদায় নিচ্ছেনা? &lt;br&gt;
এই প্রশ্নের উত্তর  হল-  এই অবস্থার জন্য মূলত দায়ী হল বিদ্যমান মানবরচিত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া বিচারব্যবস্থা। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা ক্ষমতাসীন এবং সরকারী আমলাদের জনগণের সেবক বানায়না, বরং জালিম বানায়। &lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এই ব্যবস্থায় একজন ব্যাক্তিকে জালিম বানানোর জন্য যত উপায় উপকরণ দরকার সবই বিদ্যমান আছে। কারণ এখানে কারো কাছে জবাবদিহী করতে হয়না, অন্যায় করলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়না, কিছু হলে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নেয়া যায়। এরপর যেসকল আকিদা বিশ্বাস একজন মানুষকে অন্যায় অপরাধ থেকে বিরত রাখে সেগুলোকে এখানে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। কোন কর্মকর্তা কর্মচারী ইসলাম পালন করতে চাইলে তাকে হয় শাস্তির মুখোমুখি করা হয় অথবা প্রমোশন আটকে দিয়ে অন্যদের ইসলাম পালনে ভীতি তৈরি করা হয়।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
এখানে যেই জিনিসকে পবিত্র মনে করা হয় সেটি হল সংবিধান। সংবিধান পালনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও একে সংস্কার করার ক্ষমতা থাকে এই জালিমদেরই হাতে। তাদের হাতেই থাকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা। তারা তাদের ইচ্ছামত যখন যেভাবে খুশি আইন বানাতে পারে। কোন আইন নিজেদের প্রতিকূলে থাকলে সংশোধন করে অনুকূলে করে নিতে পারে। সংবিধানের কোন ধারা নিজের বিরুদ্ধে থাকলে সংবিধানকেও সংস্কার করে নিতে পারে। এ যেন শিশুদের মাটির খেলনা, যখন যেভাবে খুশি পরিবর্তন করার স্বাধীনতা। &lt;br&gt;
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাইলে এই সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে হবে এবং এই ছেলেখেলার পথ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। সিস্টেম পরিবর্তন না করে শুধু শাসক পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন করলে প্রতিবারের মত হতাশ হতে হবে।&lt;br&gt;
.&lt;br&gt;
কিভাবে সিস্টেম পরিবর্তন করা সম্ভব হবে?&lt;br&gt;
যেভাবে সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম জাহিলী ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁরা মূলত দুইটি কাজের মাধ্যমে এই পরিবর্তন এনেছিলেন ১. দাওয়াত ২. জি&lt;em&gt;হা&lt;/em&gt;দ। বর্তমানে আমরাও যদি আধুনিক জাহিলী ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে ইসলাম আনতে চাই তাহলে আমাদের সামনেও এই দুই পথ অনুসরণের বিকল্প নেই। এই ব্যাপারে ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহ স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মত একটি কথা বলেছেন, তিনি বলেছেনঃ এই উম্মতের শেষভাগের সফলতা সেই পথে যেই পথে প্রথমভাগ সফল হয়েছিল।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ইস'ল|মপ'ন্থীদের অংশগ্রহণ: কিছু কথা, কিছু ব্যথা</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 31 Oct 2026 04:50:57 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/tryyodsh-jaatiiyy-snsd-sdsy-nirbaacne-islmpnthiider-anshgrhnn-kichu-kthaa-kichu-bythaa-511p</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/tryyodsh-jaatiiyy-snsd-sdsy-nirbaacne-islmpnthiider-anshgrhnn-kichu-kthaa-kichu-bythaa-511p</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Ff3gvn9x9dykw7dtvxq8b.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার পর ছয়মাসেরও অধিক সময় পার হয়ে গেছে। নির্বাচনের আগে, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে এব ভোটের ফলাফল প্রকাশের মুহূর্তে ইসলামপন্থীদের মাঝে এক অদ্ভুত উচ্ছাস ও সক্রিয়তা বিরাজ করছিল। যদিও গ'ণ'ত|ন্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিয়ে এ ধরনের উচ্ছাস ও প্রত্যাশা বাস্তবতা বিবর্জিত ছিল, কিন্তু তখনকার উচ্ছসিত পরিস্থিতিতে বাস্তবতা বুঝতে হয়তো অনেকেই প্রস্তুত ছিলনা। তাই এতদিন পর আবার একটু স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য কিছু কথা বলার জরুরত মনে করছি, আশা করি এতদিনে তখনকার সেই বাস্তবতা বিবর্জিত প্রত্যাশা, উচ্ছাস, উত্তেজনা এবং বিভ্রম কিছুটা হলেও স্তিমিত হয়ে এসেছে। আশা করি, শরীয়াহ এবং বাস্তবতার আলোকে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা আগের তুলনায় আরো সহজ হবে। আল্লাহ তায়ালাই তাওফিকদাতা।&lt;br&gt;
এবারের নির্বাচনে পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে অধিক পরিমাণে আলেম সংসদ সদস্য হয়েছেন। গ'ণ'ত'ন্ত্রের হাকীকত সম্পর্কে বেখবর সহজ-সরল ধর্মপ্রাণ অনেক মুসলিম এতে আনন্দিতও হয়েছেন, এটাকে আলেম-ওলামাদের বিজয় হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু বাস্তবে গ'ণ'ত'ন্ত্রের আকীদায় বিশ্বাসী সেক্যুলারদেরই বিজয় হয়েছে। আলেমদের মাধ্যমেও গ'ণ'ত'ন্ত্রের বৈধতা উৎপাদন করতে পারা তাদের জন্য মহা-আনন্দের কারণ হয়েছে। বিশেষ করে যখন আলেম-ওলামা এবং ইসলামপন্থী সংসদ সদস্যরা সেক্যুলার সংবিধান রক্ষা করার শপথ নিয়েছেন, তখন বিজয়মাল্য যে সেক্যুলারদের গলায়ই ওঠেছে সেটা বুঝা কি খুব বেশি কঠিন? &lt;br&gt;
আপনার কোনো কাজে আপনার বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন আপনাকে সাপোর্ট দেবে, পাশে থাকবে, এটা আশ্চর্যের নয় এবং বড় ধরনের সফলতাও নয়। কিন্তু আপনার কাজে যদি আপনার ঘোরতর শত্রুও আপনাকে সাপোর্ট দিতে শুরু করে, তাহলে এটাই বরং সবচেয়ে বড় সফলতা। &lt;br&gt;
গ'ণ'ত'ন্ত্র একটা মতাদর্শ। একটা মতবাদ। একটা জীবনব্যবস্থার নাম। যার সিংহভাগ সরাসরি শরীয়ত বিরোধী বা শরীয়ত বিরোধিতার দিকে ধাবমানকারী। এর প্রতিষ্ঠাতা কাফের মোড়লরা। এর ঠিকানা যুগের হুবল আমেরিকা। খোলসটা খুব চকচকে। মিষ্টি মিষ্টি শ্লোগান আছে। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। জনগণ যাকে চায় সে-ই সরকার প্রধান হবে। এগুলো শুনতে অনেকের কাছেই ভালো লাগে! একে তো এর বাহ্যিক চাকচিক্য, দ্বিতীয়ত পশ্চিমাদের প্রভাব-এই দুইয়ে মিলে পৃথিবীর অন্যান্য ধর্মের মানুষগুলো গ'ণ'ত'ন্ত্রকে বরণ করে নিয়েছে। কারণ, তাদের ধর্ম তাদেরকে রাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে কোনো দিকনির্দেশনা দেয়নি। মুসলিম প্রধান দেশগুলোর নামমাত্র মুসলিম শাসকগুলোও গ'ণ'ত'ন্ত্রের একনিষ্ঠ খাদেম। আর সাধারণ মানুষ তো বিজয়ী শক্তির দ্বারাই প্রভাবিত থাকে।&lt;br&gt;
তবে বরাবরই গ'ণ'ত'ন্ত্রের বিরোধিতায় সরব থেকেছেন হক্কানী উলামায়ে কেরাম। এর ইসলামবিরোধী দিকগুলো উম্মাহর সামনে স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। এদেশের উলামায়ে কেরামের কাছে গ'ণ'ত'ন্ত্র এতটা সফলতা নিয়ে আগে কখনোই পৌঁছতে পারেনি। কিন্তু এবারের নির্বাচনে আলেম-ওলামাদেরকে দিয়ে জনগণের মনে গ'ণ'ত'ন্ত্রের বৈধতার ধারণা তৈরীতে গ'ণ'তন্ত্রের সাফল্য আরো বিস্তৃত পরিসরে প্রকাশিত হলো। &lt;br&gt;
এদেশের অনুসরণীয় অনেক আলেমকেও আমরা বিভিন্ন দলীয় সুবিধা ভোগের আশায় গ'ণ'ত|ন্ত্রিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেখেছি, যারা এই কিছুদিন পূর্বেও গ'ণ'ত'ন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে-ময়দানে সোচ্চার ছিলেন। এটা গ'ণ'ত'ন্ত্রের আরো এক ধাপ সফলতা যে, গ'ণ'তন্ত্রের শত্রুরাও এখন গণতান্ত্রিক সিস্টেমে অংশ নিচ্ছে। পার্লামেন্টে কয়েকজন আলেম পাঠিয়ে গ'ণ'ত'ন্ত্র নিজেকে সার্বজনীন মতাদর্শ হিসেবে প্রমাণ করছে। এবারের নির্বাচনে কয়েকজন আলেমের সংসদ সদস্য হওয়া এই প্রমাণকেই শক্তিশালী করে। &lt;br&gt;
আপনি যদি মনে করেন, সংসদ সদস্য আলেমরা সংসদে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রীয় শিরকের বিরুদ্ধে আইন পাশ করতে পারবেন, সুদভিত্তিক অর্থনীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবেন, কিংবা মদের লাইসেন্স আর পতিতালয়ের লাইসেন্স বাতিল করতে পারবেন তাহলে আপনি ভুলের উপর আছেন। ইসলামের হুদুদ কিসাসের কথা না হয় না-ই বললাম। শুধু ইনসাফ কায়েম করার নাম যদি দীন কায়েম করা হতো তাহলে ইউরোপ আমেরিকা আর জাপান সবচেয়ে বড় দীনী রাষ্ট্র হয়ে উঠতো। যদি মনে করেন, এই তো মাত্র আলেমদের সংসদে যাওয়া শুরু, আগামীতে আলেমরা সরকার গঠন করবে, তাহলে তো এটাকে দিবাস্বপ্নই বলতে হবে।&lt;br&gt;
গ'ণ'ত|ন্ত্রিক সিস্টেমে আলেমরা কোনো দেশের সরকার গঠন করতে পারবে না। যেকোনো উপায়ে সেটাকে রুখে দেওয়া হবে। আর যদি কোনো আমলে সেটা হয়েও যায়, তাহলে মিশরের পরিণতি ঘটবে। মিশরে ইখওয়ানুল মুসলিমীনের ক্ষমতা মাত্র এক বছর স্থায়ী হয়েছিল। প্রায় একশ বছর মেহনত করে যে ক্ষমতা তাঁরা লাভ করেছিলেন সেটা এক বছরেই শেষ। এবং ওই এক বছরও রাষ্ট্র ও সংবিধানকে পরিপূর্ণভাবে ইসলামীকরণ করে পরিচালনা করা যায়নি। তবুও আমাদের অনেকে গ'ণ'তন্ত্র ছাড়া ভাবতেই পারেননা। তারা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ'ণ'তন্ত্র আমাদের লাগবেই। এটাও আসলে  মুসলিমদের মানসিক পরাজয় এবং গ'ণ'তন্ত্রের একটা উল্লেখযোগ্য বিজয়।&lt;br&gt;
অনেক আসনের ক্ষেত্রেই অনিয়ম আর ভোট কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। আপনার কাছে যেটা অনিয়ম মনে হচ্ছে, গ'ণ'ত'ন্ত্রের দৃষ্টিতে সেটা অনিয়ম না। দাড়ি টুপিঅলা ভালো মানুষগুলো পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণসহ ক্ষমতায় যেতে পারবে না এটাই গ'ণ'ত'ন্ত্রের নিয়ম। এই নিয়ম রক্ষার্থে আপনার দৃষ্টিতে অন্যায়, এরকম হাজারটা অন্যায় ন্যায় হয়ে যাবে। &lt;br&gt;
অনেক ইসলামপন্থী প্রার্থী অভিযোগ তুলেছেন নির্বাচনে অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছে। কিন্তু এই অনিয়মের সমাধান আর কার কাছে হবে? ইসির কাছে? সেক্যুলার রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে? সেক্যুলার রাষ্ট্র তো চায়না ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় চলে আসুক। তাহলে এই অবিচারের বিরুদ্ধে বিচার কার কাছে  দেওয়া হবে? আল্লাহ তাআলার কাছে? তিনিও তো চান না মানবরচিত এই গ'ণ'ত'ন্ত্রের কাছে ধর্ণনা দিয়ে কেউ ক্ষমতায় এসে তাঁর দীন কায়েম করুক। তিনি তো এই দীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন। কাফেরদের ধার করা কুফুরীতন্ত্র মেনে ক্ষমতায় আসতে হবে অতঃপর তাঁর দীন কায়েম করতে হবে, তিনি তো দীনকে এতটা অসম্পূর্ণ রাখেননি। সুতরাং অভিযোগ এই দরবারেও তো কবুল হবে না। &lt;br&gt;
আমরা মুসলিমরা কতই না অবুঝ এবং আত্মপ্রতারিত! নতুবা গ'ণ'তন্ত্রের মতো একটা স্পষ্ট কুফুরি তন্ত্রকে আজও আমরা খেলাফত প্রতিষ্ঠার পথ হিসেবে গণ্য করতাম না। যুগে যুগে দেশে দেশে গ'ণ'তন্ত্রের কুৎসিত চেহারাটা কি আমরা কম দেখেছি? বিপরীতে যারা গনতন্ত্রকে বর্জন করে দাওয়াহ ও জিহাদের পথ ধরে খেলাফতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, আফগানিস্তান, মালি ও অন্যান্য জায়গায় তাদের সফলতাও কি আমাদের অদেখা আছে? সফলতা আর ব্যর্থতার এত স্পষ্ট পার্থক্যটা বুঝতে আমাদের আর কতকাল সময় লাগবে? &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে মাদ্রাসা</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 29 Oct 2026 06:49:56 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/pshcimbngge-bndh-kre-deoyyaa-hcche-maadraasaa-2gla</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/pshcimbngge-bndh-kre-deoyyaa-hcche-maadraasaa-2gla</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fqoh39tqjdp4q8it4y3l8.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;পশ্চিমবঙ্গে ভাল নেই মুসলিমরা। সেখানে গত কয়েকদিনে অন্তত ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোন গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া শুধুমাত্র সরকারের অনুমতি নেই এমন অজুহাতে মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।&lt;br&gt;
মাদ্রাসা বন্ধের কারণ সম্পর্কে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন- 'সরকার প্রয়োজন মনে করেছে, তাই করেছে'।&lt;br&gt;
অর্থাৎ কোন কারণ ছাড়া শুধুমাত্র দ্বীন শিক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, উদ্দেশ্য মুসলিমদের দ্বীনি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা, মুসলিম শি/শুদের দ্বীন ঈমানের আলো থেকে বঞ্চিত করে ধীরে ধীরে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত করে তোলা।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এ লক্ষ্যে তারা আরো কিছু পদক্ষেপও নিয়েছে, মুসলিম শি/শুদের কচিমনে শিরকের বিষ ভরে দেওয়ার জন্য স্কুলগুলোতে শিরকী গান 'বন্দে মাতরম' গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;এই বিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন- মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। মাদ্রাসা থেকে অ্যান্টি-ন্যাশনাল অ্যাক্টিভিটি চালানোর অভিযোগ আছে, মাদ্রাসার শিক্ষকরা বো/মা বিস্ফোরণ থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন কাজে লিপ্ত ছিল। যেখানে সেখানে মাদ্রাসা খুলে এখানে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  অথচ স্বাধীন সংস্থার রিপোর্টমতে এই অভিযোগগুলোর কোনরূপ ভিত্তি নেই, বরং মুসলিম শিক্ষিত শ্রেণী এবং প্রভাবশালীদের দমন করার জন্য ভারত সরকার কথিত ইউএপিএ আইনের অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ। এই আইনের মাধ্যমে তারা বহু মুসলিমের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, বহু ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। মুসলিমদের অধিকারে সোচ্চার এমন কয়েকটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;মোটকথা তারা ইসলাম ও মুসলিমদের কোন নিদর্শন সহ্য করতে পারছেনা। তাই যেনতেন প্রকারে মাদ্রাসা মসজিদ বন্ধ করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  ইতিপূর্বে নামাযের উপর বিভিন্ন বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে, মাইকে আজানের উপরও দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যদিও চাপের মুখে পরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;আমাদের পাশেই একটা অঞ্চলে মুসলিমদের ইসলামশূণ্য করার ষ'ড়'যন্ত্র হচ্ছে, ইবাদতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, ইসলামী শিক্ষার উপরও অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।&lt;br&gt;
অথচ আমরা নির্বাক, নীরব, যেন কিছুই হয়নি। আমাদের কিছুই করার নেই।&lt;br&gt;
আমরা যদি এভাবে নীরব থাকি তাহলে হয়তো কয়দিন পর তারা আমাদের দিকেও হাত প্রসারিত করবে। অবশ্য তাদের অরাজকতাকারী সংগঠনগুলো বহুদিন ধরেই এই অঞ্চলে সক্রিয়। তারা শুধু সময়ের অপেক্ষা করছে। এসবকিছু আমাদের চোখের সামনেই হচ্ছে।&lt;br&gt;
আর আমরা… কিছুই করছিনা, মজলুমদের মুক্ত করার চেষ্টা তো দূরের কথা তাদের জন্য আওয়াজও ওঠাচ্ছিনা। এ নীরবতা ভাঙতে হবে, আমাদের ভাইদের এ মাজলুমি দূর করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কেন তাদের জি$হা/দে এত ভয়?-</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 15:44:30 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/ken-taader-jihaade-et-bhyy--5e02</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/ken-taader-jihaade-et-bhyy--5e02</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Foo1jk8rlrzarcubd9kr1.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Foo1jk8rlrzarcubd9kr1.jpg" alt=" " width="800" height="800"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আমরা সকলেই জানি যে, ইসলামের রুকন বা প্রধান স্তম্ভ পাঁচটি- &lt;br&gt;
কালিমা,নামায,রোযা,হজ্ব ও যাকাত। আর এই খুঁটিগুলোকে টিকিয়ে রাখার মাধ্যম হিসেবে একটি ছাদও যে আছে সেটা হয়তো অনেকেই জানিনা। &lt;br&gt;
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ &lt;br&gt;
ذروةُ سنامِ الإسلامِ الجهادُ في سبيلِ اللهِ &lt;br&gt;
ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া হল জি$হা/দ । - আল মু'জামুল কাবীর লিত তাবারানী ৭৮৮৫, তিরমিজি ২৬২৬&lt;br&gt;
ছাদ যেমন ভিতরে থাকা খুঁটি ও অন্যন্য আসবাব পত্রকে ঝড় বৃষ্টি এবং শত্রুর আক্রমণ থেকে হেফাজত করে। জি$হা/দও তেমনি মুসলিমদের ঈমান আমলকে শত্রুর আঘাত থেকে হেফাজত করে।&lt;br&gt;
মুসলিমদের ঈমান ও আমল নষ্ট করার জন্য শত্রুরা সদা সর্বদা তৎপর। তারা চায় মুসলিমরা যেন ঈমানহারা হয়ে কাফের হয়ে যায়। নাহলে অন্তত যেন তাদের পছন্দের ইসলামের (বিকৃত ইসলামের) অনুসরণ করে, যেই ইসলাম কখনো কুফরের সাথে সংঘাতে জড়ায়না, কাফেরদের সাথে শত্রুতা রাখেনা এবং প্রয়োজনে যে কোন কুফর ও হারামকে হেকমত-মাসলাহাতের দোহাই দিয়ে হালাল করে নেয়। &lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  এরজন্য তারা যে পরিকল্পনা নিয়েছে তা হল- বাছাইকরা কিছু মুসলিম দেশে আক্রমণ করে বাকিদেরকে ভীত সন্ত্রস্থ করে রাখা। এরপর সব জায়গায় নিজেদের একান্ত আজ্ঞাবহ পাপেটদেরকে ক্ষমতায় বসানো। যারা নামে মুসলিম হলেও কাজে কর্মে হবে কাফের। উপরে মুসলিম দরদী সাজলেও গোপনে গোপনে কাফেরদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি মুসলিম দেশেই আমরা এমন পাপেটদেরকে ক্ষমতায় দেখতে পাচ্ছি। যারা মুসলিমদের স্বার্থ রক্ষার চেয়ে তাদের কাফের প্রভূদের স্বার্থ রক্ষায় অধিক তৎপর। এরা সবাই নিজ নিজ দেশে অন্যায় অশ্লীলতা, সুদ যিনা, খুন খারাবী সহ যাবতীয় অপরাধ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে। মুসলিমদের নৈতিকতা ও পরিবার ব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য সমকামিতা,লিভটুগেদার,সিঙ্গেল মাদার, সারোগেসি মাদারের মত ধ্বংসাত্মক কর্ম ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। 
&lt;/h2&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  আরাকান, কাশ্মীর, পূর্ব তুর্কিস্তান, ইয়েমেন, সিরিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্নস্থানে মুসলিমরা আজ নির্যাতন নিপীড়নে শিকার। এসব অঞ্চলের মুসলিমদের উপর দশকের পর দশক ধরে যেই বর্বরতা ও নিপীড়ন চলছে, বিশেষত প্রায় দুই বছর ধরে ই/স"র|য়েল ফিলিস্তিনে যে বর্বরতা চালাচ্ছে তা অবর্ণনীয়। ই/স"র|য়েল সেখানে নির্বিচারে বোম্বিং চালিয়ে পুরো শহরকে ধ্বংস্তুপে পরিণত করেছে। স্কুল,কলেজ,হাসপাতাল কিছুই হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি, যেদিকে চোখ যায় শুধু ধ্বংস আর ধ্বংস। তাদের এই বর্বর আক্রমনে ৫০ হাজারের অধিক নিরপরাধ মুসলিম শহীদ হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এত এত মানুষকে হত্যা করার পরও যেন হায়েনাদের রক্তপিপাসা মেটেনি, তাই বেঁচে যাওয়া মানুষগুলোকেও মেরে ফেলার ষড়যন্ত্রে মেতেছে। শরনার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় নেয়া মানুষদের কাছে খাদ্য পানি চিকিৎসা সামগ্রী সহ সব ধরণের মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। খাবার পানি ও চিকিৎসার অভাবে এই মানুষগুলো এখন জীবন্ত লাশে পরিণত হয়েছে।   
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;মুসলিম জাতির জীবনে এই দুর্যোগ ও বিপর্যয় কখনোই দূর হবেনা যদি আমরা জি$হা/দ থেকে দূরে থাকি। ফিলিস্তিনের চারপাশের আরব রাষ্ট্রগুলোর পাপেট শাসকদেরকে এবং তাদের প্রভু সাপের মাথা আ/মে-রি/কাকে জি$হা/দের মাধ্যমে বিতাড়িত না করলে কোনোদিনও বাইতুল মাকদিস উদ্ধার করা যাবেনা, অন্যান্য মুসলিম ভূখন্ডগুলো থেকেও পশ্চিমাদের দাস সেক্যুলার শাসকদের ও তাদের কাফের মনিবদেরকে উৎখাত না করলে উম্মাহর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা যাবেনা এবং এই দুঃখ ও দুর্দশা দূর করা যাবেনা।&lt;br&gt;
বস্তুত, জি$হা/দ ফি সাবিলিল্লাহ ছাড়া এই উম্মাহর লাঞ্চনা ও দুর্দশা কাটানো সম্ভব নয়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ&lt;br&gt;
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: إِذَا تَبَايَعْتُمْ بِالْعِينَةِ، وَأَخَذْتُمْ أَذْنَابَ الْبَقَرِ، وَرَضِيتُمْ بِالزَّرْعِ، وَتَرَكْتُمُ الْجِهَادَ، سَلَّطَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ ذُلًّا لَا يَنْزِعُهُ حَتَّى تَرْجِعُوا إِلَى دِينِكُمْ&lt;br&gt;
যখন তোমরা ঈনা পদ্ধতিতে ব্যবসা করবে, গরুর লেজ আঁকড়ে ধরবে, কৃষিকাজ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবে এবং জি$হা/দ ছেড়ে দিবে তখন আল্লাহ তোমাদের উপর লাঞ্ছনা ও অপমান চাপিয়ে দিবেন। তোমরা তোমাদের দ্বীনে ফিরে না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তোমাদেরকে এই অপমান থেকে মুক্তি দিবেন না। ( সুনানে আবু দাউদ ৩৪৬২)&lt;br&gt;
এই হাদীস থেকে স্পষ্ট যে, সুদযুক্ত লেনদেনে জড়িত থাকা, দুনিয়ার প্রতি মোহগ্রস্ত হয়ে পড়া, এবং সর্বোপরি জি$হা/দ থেকে দূরে থাকাই হল এইসব লাঞ্ছনা ও অপমানের কারণ, আর জি$হা/দের আমল সহ পূর্ণাঙ্গ দ্বীনের দিকে ফিরে আসাই হল মুক্তির একমাত্র উপায়। &lt;br&gt;
একারণেই কুফফফারগোষ্ঠী ও তাদের দোসররা যখন মুসলিমদের ধ্বংস করতে চায় তখন তারা প্রথমে জি$হা/দ ও মু/জ|হি'দীনের ব্যাপারে অপপ্রচার চালায়, যেন সবাই তাদের ভুল বোঝে এবং তাদের সাথে না মেশে। এরপর তারা মুক্তিকামীদের স/ন্ত্রা/সী জ*ঙ্গি ইত্যাদি অপবাদ দিয়ে দমন পীড়ন শুরু করে। কারন তারা জানে একমাত্র জি$হা/দই পারে বিপর্যস্ত উম্মাহর জীবনে গৌরব ও সম্মানের ইতিহাস ফিরিয়ে আনতে।&lt;br&gt;
দুশমন যখন উম্মাহকে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মু/জ|হি'দীনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন একদল মুনাফিকও যোগ দেয় তাদের সঙ্গে। বস্তুত উম্মাহর ইতিহাসে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মুনাফিকের অভাব হয়নি কখনো। বর্তমান ফিলিস্তিনের দিকে তাকালেও আমরা এমন অসংখ্য মুনাফিকের দেখা পাব, যারা সর্বশক্তি দিয়ে জায়নবাদী রাষ্ট্র এবং তার প্রভূ আ/মে-রি/কাকে হেফাজতের চেষ্টা করে যাচ্ছে। সামান্য কিছু অর্থ সম্পদ ও ক্ষমতার লোভে জেনেশুনেই তারা কুফফারদের পদলেহন করে এবং উম্মাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এই মুনাফিকগোষ্ঠীই মুসলিমদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা নিজেরাও ওদের হাত থেকে রেহাই পায়না।&lt;br&gt;
আল্লাহ আমাদেরকে তাদের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমাদেরকে জি$হা/দ সহ পূর্ণাঙ্গ দ্বীনে ফিরে এসে উম্মাহর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে শরীক হওয়ার সৌভাগ্য দান করুন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-৩।। চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়া।।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 14:27:49 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-3-caand-dbikhnnddit-hoyyaa--142j</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-3-caand-dbikhnnddit-hoyyaa--142j</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F6q9a0sda08j8rco69q3x.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2F6q9a0sda08j8rco69q3x.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পবিত্র কুরআন থেকে:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পবিত্র কুরআনের সুরা আল-ক্বামার। আয়াত নং ১-২ । মহান রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;اِقۡتَرَبَتِ السَّاعَۃُ وَانۡشَقَّ الۡقَمَرُ. وَاِنۡ یَّرَوۡا اٰیَة یُّعۡرِضُوۡا وَیَقُوۡلُوۡا سِحۡرٌ مُّسۡتَمِرٌّ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অর্থ: কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে, আর চাঁদ দিখণ্ডিত হয়েছে। এরা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় আর বলে: এটা তো চিরাচরিত জাদু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবেন কাসীর রা. বলেন: সকল উলামায়ে কেরাম এব্যাপারে একমত যে, চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার ঘটনাটি রাসূল ﷺ এর সময়ে ঘটেছে। এবং এটি ছিল রাসূল ﷺ এর একটি মুজিযা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হাদীস থেকে:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাসূলের সাহাবী হযরত আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু। তিনি বলেন: মক্কাবাসী রাসূলের কাছে কোনো নিদর্শন দেখানোর আবেদন করলে তিনি তাদেরকে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করে দেখান। সহীহ বুখারী। (৪৮৬৭)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আরবী পাঠ:&lt;br&gt;
عَنْ أنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عنْه، قالَ: سَأَلَ أهْلُ مَكَّةَ أنْ يُرِيَهُمْ آيَةً فأراهُمُ انْشِقاقَ القَمَرِ.&lt;br&gt;
صحيح البخاري (٤٨٦٧) أخرجه مسلم (٢٨٠٢)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাসূলের আরেক সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু। তিনি বলেন: আমরা রাসূলের সাথে মিনায় ছিলাম। তখন চাঁদটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলো। এক খণ্ড ছিল পাহাড়ের পেছনে আরেক খণ্ড পাহাড়ের সামনে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বললেন সাক্ষী থেকো। সহীহ বুখারী। (৩৮৬৯)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;عن عبد الله بن مسعود رض. بيْنَما نَحْنُ مع رَسُولِ اللهِ ﷺ بمِنًى إذا انْفَلَقَ القَمَرُ فِلْقَتَيْنِ، فَكانَتْ فِلْقَةٌ وَراءَ الجَبَلِ، وَفِلْقَةٌ دُونَهُ، فَقالَ لَنا رَسُولُ اللهِ ﷺ: اشْهَدُوا.&lt;br&gt;
أخرجه البخاري (٣٨٦٩)، ومسلم (٢٨٠٠).&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মূল ঘটনা:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মূল ঘটনাটি এরকম: কোনো এক চাঁদনী রাতে মক্কার একদল কাফের রাসূলের কাছে এসে মুজিযা দেখতে চাইলো। তখন আল্লাহ তাআলা রাসূলের হাতে এই মহাবিস্ময়কর মুজিযা প্রকাশ করলেন যে, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল। দুই খণ্ড দুই দিকে সরে গেলে মাঝখানে স্পষ্ট হেরা পর্বতকে দেখা যাচ্ছিল। উপস্থিত সবাইকে তিনি বললেন: দেখে নাও। সবাই দৃশ্যটি দেখলো। অতঃপর আপনা আপনি দুখণ্ড দুদিক থেকে এসে পুনরায় মিলিত হলো। উপস্থিত কাফেররা সরাসরি তা অস্বীকার করতে না পারলেও এটাকে চিরাচরিত জাদু আখ্যা দিয়ে চলে গেল।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-২।। রাসূলুল্লাহﷺ এর আগমন ও প্রয়াণ।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 05:21:28 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-2-raasuulullaah-er-aagmn-o-pryyaann--df0</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-2-raasuulullaah-er-aagmn-o-pryyaann--df0</guid>
      <description>&lt;h2&gt;
  
  
  &lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fofi4pzhel0rmz445a0iq.jpg" alt=" " width="800" height="800"&gt;
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;কিয়ামতের আলামতগুলো মৌলিকভাবে দু‘ভাগে বিভক্ত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১. ছোট আলামত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২. বড় আলামত। (যেগুলো কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে ঘটবে)&lt;br&gt;
ঘটনকালের দিক থেকে ছোট আলামতগুলো তিন ভাগে বিভক্ত:&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;১. ঘটিত ছোট আলামত বা যেগুলো ইতোমধ্যে ঘটে গিয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২. ঘটমান ছোট আলামত বা যেগুলো চলমান আছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩. ঘটিতব্য ছোট আলামত বা যেগুলো ভবিষ্যতে ঘটবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাসূলুল্লাহﷺ এর শুভাগমন কিয়ামতের অন্যতম আলামত।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাসূলুল্লাহ ﷺ ছিলেন নবুওয়াতের দীপ্তিমান আকাশের সর্বশেষ নক্ষত্র। তাঁর পর এই আকাশে আর কোনো নক্ষত্রের উদয় ঘটবে না। তাঁর আগমন কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত। স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা রাসূলের আগমনকে কিয়ামতের আলামত আখ্যা দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনের সূরা মুহাম্মাদ-এর ১৮ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:&lt;br&gt;
فَهَلۡ یَنظُرُونَ إِلَّا ٱلسَّاعَةَ أَن تَأۡتِیَهُم بَغۡتَةࣰۖ فَقَدۡ جَاۤءَ أَشۡرَاطُهَاۚ فَأَنَّىٰ لَهُمۡ إِذَا جَاۤءَتۡهُمۡ ذِكۡرَىٰهُمۡ&lt;br&gt;
অর্থ: তবে কি তারা (কাফেররা) কেবল এরই অপেক্ষা করছে যে, কিয়ামত তাদের উপর আকস্মিকভাবে এসে পড়ুক? (যদি সেই অপেক্ষায়ই থাকে) তবে তার আলামতসমূহ তো এসেই পড়েছে! অতঃপর তা যখন তাদের সামনে এসেই পড়বে, তখন তাদের উপদেশ গ্রহণের সুযোগ থাকবে কোথায়?&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় হাসান বসরী রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আগমন কিয়ামতের আলামত। (তাফসীরে ইবনে কাসীর)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তাঁর এবং কিয়ামতের মধ্যকার দূরত্ব - তর্জনী এবং মধ্যমা আঙুলের মধ্যকার দূরত্বের মত&lt;br&gt;
বুখারি শরীফের এক রেওয়াতে তিনি নিজেই এই উপমা পেশ করেছেন। হযরত আনাস ইবনে মালেক রা. বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: بُعِثْتُ أنا والسّاعَة كَهاتَيْنِ&lt;br&gt;
অর্থ: আমি প্রেরিত হয়েছে এমন অবস্থায় যখন আমি এবং কিয়ামত এরকম (তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল দ্বারা ইশারা করে) কাছাকাছি। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৬৫০৪)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম যাহহাক রা. বলেছেন: রাসূলের আগমন কিয়ামতের সর্বপ্রথম আলামত। (ফাতহুল বারি, ১১/৩৫০)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাসূলুল্লাহ ﷺ এর প্রয়াণও কিয়ামতের অন্যতম আলামত।&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শুভাগমন যেমন কিয়ামতের আলামত তেমনি তাঁর মৃত্যুও কিয়ামতের আলামত। বুখারী শরীফের এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে:&lt;br&gt;
عن عوف بن مالك قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة تبوك وهو في قبة من أدم، فقال: " اعدد ستا بين يدي الساعة: موتي، ثم فتح بيت المقدس.....&lt;br&gt;
অর্থ: হযরত আউফ ইবনে মালেক রা বলেন: তাবুকের যুদ্ধের সময় আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। সেসময় তিনি একটি চামড়ার তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: কিয়ামতের পূর্বের ছয়টি আলামতকে তুমি গুনে রাখো। এক, আমার মৃত্যু। দুই, বাইতুল মাকদিস জয়…… (সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৩১৭৬)&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য: রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ওফাত সাহাবায়ে কেরামের জীবনে অনেক বড় আঘাত ছিল। এরচেয়ে বড় কোনো দুঃখ তাদের জীবনে আসেনি। তাঁদের সমগ্র পৃথিবী যেন আঁধারে ঢেকে গিয়েছিল। আর কেনই বা হবে না। তারা তো রাসূলকে ভালোবাসতেন জীবনের চেয়েও বেশি। তাঁর সম্মানে কোনো নরাধম সামান্য আঁচড় কাটার চেষ্টা করলে তাঁরা তার যথাযথ পাওনা বুঝিয়ে দিতেন। এমন প্রিয় কেউ চলে যাওয়ার চেয়ে বড় দুঃখ আর কী আছে? তাছাড়া রাসূলের ইন্তিকালের মধ্য দিয়ে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ওহী আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এটাও কি কম বেদনার?!&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শায়েখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-১।। আসুন কিয়ামত সম্পর্কে সচেতন হই।।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 05:30:18 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-1-aasun-kiyyaamt-smprke-scetn-hi--2l9k</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-1-aasun-kiyyaamt-smprke-scetn-hi--2l9k</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fwe923bdcebt5xma571mu.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fwe923bdcebt5xma571mu.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আকারে ছোট কিন্তু তাৎপর্যে গভীর একটি শব্দ “কিয়ামত”। সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হবে। শুধু পৃথিবী না; ধ্বংস হবে সমগ্র বিশ্বজগৎও। চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র, কোনো কিছুই সেদিন অবশিষ্ট থাকবে না। একমাত্র মহান রবের গৌরবময়, মহানুভব সত্তাই সেদিন বাকি থাকবে। কুরআনের ভাষা কত সুন্দর: &lt;br&gt;
كُلُّ مَنۡ عَلَیۡهَا فَانࣲ . وَیَبۡقَىٰ وَجۡهُ رَبِّكَ ذُو ٱلۡجَلَـٰلِ وَٱلۡإِكۡرَامِ&lt;br&gt;
অর্থ: ভূ-পৃষ্টে যা কিছু আছে, সবই ধ্বংস হবে। বাকি থাকবে কেবল আপনার প্রতিপালকের গৌরবময়, মহানুভব সত্তা। &lt;br&gt;
إِذَا وَقَعَتِ ٱلۡوَاقِعَةُ . لَیۡسَ لِوَقۡعَتِهَا كَاذِبَةٌ . خَافِضَةࣱ رَّافِعَةٌ . إِذَا رُجَّتِ ٱلۡأَرۡضُ رَجࣰّا . وَبُسَّتِ ٱلۡجِبَالُ بَسࣰّا . فَكَانَتۡ هَبَاۤءࣰ مُّنۢبَثࣰّا .&lt;br&gt;
অর্থ: যখন কিয়ামত ঘটবে, এটার সংঘটন অস্বীকার করার কেউ থাকবে না। এটা কাউকে করবে নীচ, কাউকে করবে সমুন্নত। যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী এবং পর্বতমালা ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে, অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা। &lt;br&gt;
বিশাল বিশাল পাহাড়, সেদিন ধূলিকণার মতো উড়তে থাকবে। বাতাসে ভেসে বেড়াবে। সেদিন আরো কতকিছু ঘটবে! আকাশ বিদীর্ণ হবে, নক্ষত্ররাজি খসে খসে পড়বে, পাহাড়সমূহ অপসারিত হবে, ধূলিকণায় পরিণত হবে, সমুদ্র উত্তাল হবে, এই জগতের কোনো কিছুই ঠিক থাকবে না। নতুন করে মানুষকে বের করা হবে কবর থেকে। শুরু হবে হিসেব-নিকেশ। যারা আমরণ কিয়ামত আর পুনরুত্থান দিবসকে অস্বীকার করেছে, তারাও সেদিন উপস্থিত হবে। এটা হলো কী? এই ভাবনায় তাদের কেটে যাবে দীর্ঘ সময়। &lt;br&gt;
কুরআনকে যদি জিজ্ঞেস করি: কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে? কুরআন বলবে: এর সঠিক জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলারই আছে, তবে তা অতি শীঘ্রই সংঘটিত হবে। &lt;br&gt;
يسألك الناس عن الساعة- قل إنما علمها عند الله- وما يدريك لعل الساعة تكون قريبا.&lt;br&gt;
অর্থ: লোকেরা আপনাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলে দিন, এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই আছে। আপনি এটা কী করে জানবেন সম্ভবত কিয়ামত শীঘ্রই হয়ে যেতে পারে। (সূরাতুল আহযাব ৬৩ নং আয়াত।)&lt;br&gt;
কুরআন আমাদেরকে আরো বলবে: কিয়ামতের ব্যাপারটি তো কেবল চোখের পলকতুল্য, বরং তার চাইতেও নিকটবর্তী।&lt;br&gt;
وَلِلَّهِ غَیۡبُ ٱلسَّمَـٰوَ ٰ⁠تِ وَٱلۡأَرۡضِۚ وَمَاۤ أَمۡرُ ٱلسَّاعَةِ إِلَّا كَلَمۡحِ ٱلۡبَصَرِ أَوۡ هُوَ أَقۡرَبُۚ إِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَیۡءࣲ قَدِیرࣱ&lt;br&gt;
অর্থ: আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সকল রহস্য আল্লাহর কতৃত্বে। কিয়ামতের বিষয়টি কেবল চোখের পলকতুল্য, বরং তার চাইতেও নিকটবর্তী। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান। (সূরা আন-নাহল, ৭৭)&lt;br&gt;
পুনরায় যদি কুরআনকে জিজ্ঞেস করি: আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের সময় গোপন রাখলেন কেন? কুরআন বলবে: “যাতে প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের ফল লাভ করে”। &lt;br&gt;
إِنَّ ٱلسَّاعَةَ آتِیَةٌ أَكَادُ أُخۡفِیهَا لِتُجۡزَىٰ كُلُّ نَفۡسِۭ بِمَا تَسۡعَىٰ&lt;br&gt;
অর্থ: কিয়ামত অবশ্যই আসন্ন। আমি তা (অর্থাৎ, তার সময়) গোপন রাখি; যাতে প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের ফল লাভ করে। (সূরা ত্বহা, ১৫)&lt;br&gt;
কিয়ামতের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছেই আছে—এটা বাস্তব। তবে কিয়ামতের অনেক আলামত, যেগুলো একজন মুমিনের জানা থাকা আবশ্যক, কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, কিয়ামত যত ঘনিয়ে আসছে আমরা কিয়ামত সম্পর্কে ততই গাফেল হচ্ছি। উদাসীন হচ্ছি। যেন কিয়ামত আমাদের থেকে কত যোজন যোজন দূরে! অথচ আমাদের থেকেও দেড় হাজার বছর পূর্বে সাহাবায়ে কেরাম কিয়ামত নিয়ে আমাদের চেয়েও বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। ভয়ে প্রকম্পিত ছিলেন। দাজ্জালের ফেতনাকে তারা সেসময়ই ভয় করতেন। আর আমরা কিনা দাজ্জালের ফেতনার মধ্যে থেকেও ভীত নই। উদাসীন। বেখবর। পৃথিবীর সবকিছু একটা চূড়ান্ত পরিণতির দিকে কত দ্রুত ধাবিত হচ্ছে। ব্যতীক্রম শুধু বনী আদম। মানুষ। আমরা। &lt;br&gt;
আচ্ছা, আপনার মনে কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে— পৃথিবীর ঘটনাপ্রবাহ এত দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে কেন? কোন সে অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে পৃথিবী এত দ্রুত মোড় ঘুরছে? কেমন যেন চোখের পলকেই সব উলট-পালট হয়ে যাচ্ছে না? বাঁধভাঙা জলের মতো ফেতনাগুলো এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে কেন বিশ্বব্যাপী। অশ্লীলতা, বেহায়াপনা আর বেলাল্লাপনার নগ্ন থাবা কি সমাজের সবচেয়ে নিরাপদ ঘরটিকেও রেহাই দিয়েছে? অজ পাড়াগাঁয়ের কুঁড়েঘরটিও কি আজ ফিতনামুক্ত? ফিতনার সয়লাব কি সমাজের সর্বত্র বিরাজমান নয়? তবে কি সত্যিই পৃথিবী এক চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগোচ্ছে? &lt;br&gt;
আপনি কখনো ভেবেছেন, শেষ যামানা সংক্রান্ত রাসূলের ভবিষ্যৎবাণীগুলো এত সুন্দর করে খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে কেন? খলিফাতুল্লাহ আল-মাহদি যখন আভির্ভূত হবেন তখন মুসলমান একজন ত্রাণকর্তার জন্য অস্থির হয়ে উঠবে, তবে কি সে অবস্থাই তৈরি হচ্ছে আরব বিশ্বে! আমাদের অনেকেরই এগুলো নিয়ে ভাববার ফুরসত হয়ে ওঠে না। আমরা অনেকেই কেবল দুনিয়া গোছাতে ব্যস্ত। অথচ কিয়ামতের আলামতগুলো জানা সময়ের অপরিহার্য দাবি। বিদ্যমান দাজ্জালী ফেতনা সম্পর্কে জানাও সময়ের দাবি। তাই যদি না হবে তাহলে চলমান ফেতনার সয়লাব থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন কীভাবে? &lt;br&gt;
সময়ের এই দাবিকে সামনে রেখেই আমরা ভেবেছি, ধারাবাহিকভাবে কিয়ামতের আলামতগুলো নিয়ে আলোচনা করব। তাতে আমাদের একটুও যদি ভাবাবেগ হয়! বিদ্যমান ফেতনাগুলো সম্পর্কে আমরা একটুও যদি সচেতন হই! আমাদের উদাসীনতা, গাফলতির জগদ্দল পাথর একটু হলেও যদি সরে যায়! আল্লাহ যেন আমাদের এই উদ্যোগকে কবুল করেন এবং সহজ করেন। আমীন।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-৫।। ভণ্ড নবীদের আত্মপ্রকাশ।।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 05:01:26 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-5-bhnndd-nbiider-aatmprkaash--3hnd</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-5-bhnndd-nbiider-aatmprkaash--3hnd</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fxlok4nh7peixjul3cjut.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fxlok4nh7peixjul3cjut.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হাদীস থেকে:&lt;br&gt;
কিয়ামতের অন্যতম একটি আলামত হলো, ভণ্ড নবীদের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। বুখারী শরীফের এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, প্রায় ৩০ জন ভণ্ড নবীর আগমন ঘটবে, যারা প্রত্যেকে নিজেকে নবী দাবী করবে। হযরত আবু হুরাইরা রা. বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন:&lt;br&gt;
ولا تَقُومُ السّاعَةُ حتّى يُبْعَثَ دَجّالُونَ كَذّابُونَ، قَرِيبًا مِن ثَلاثِينَ، كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أنَّه رَسولُ اللَّهِ. صحيح البخاري: 3609&lt;br&gt;
অর্থ: প্রায় ৩০ জন মিথ্যাবাদী মহাপ্রতারকের আবির্ভাব না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত কায়েম হবে না। তাদের প্রত্যেকেই দাবী করবে যে, সে আল্লাহর রাসূল। (সহীহ বুখারী। ৩৬০৯)&lt;br&gt;
হাদীসের ব্যাখ্যায় ইবনে হাজার আসকালানী ফাতহুল বারিতে উল্লেখ করেছেন, হাদীসে উল্লিখিত ৩০ সংখ্যার উদ্দেশ্য হলো, ভণ্ড নবীদের মধ্যে ৩০ জন এমন হবে যাদের দাপট তৈরি হবে। অনুসারীদের জামাত গড়ে উঠবে। অন্যথায় শুধু নবুওয়াতের দাবীদারদের সংখ্যা তো অনেক।&lt;br&gt;
হযরত সাওবান রা. রাসূলুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:&lt;br&gt;
لاَ تقومُ السَّاعةُ حتَّى تَلحقَ قبائلُ من أمَّتي بالمشرِكينَ، وحتَّى يعبُدوا الأوثانَ، وإنَّهُ سيَكونُ في أمَّتي ثلاثونَ كذَّابونَ كلُّهم يزعمُ: أنَّهُ نبيٌّ، وأَنا خاتمُ النَّبيِّينَ لاَ نبيَّ بَعدي&lt;br&gt;
অর্থ: আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সাথে শামিল না হয়ে মূর্তিপূজা না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। আর খুব শীঘ্রই আমার উম্মতের মধ্যে ৩০ জন চরম মিথ্যুকের আবির্ভাব হবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে নবী দাবী করবে। অথচ আমিই শেষ নবী, আমার পরে কোন নবী নাই। (তিরমিজি। ২২১৯)&lt;br&gt;
হযরত আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে:&lt;br&gt;
بَينَ يَدَيِ السّاعةِ قَريبٌ مِن ثلاثينَ دَجّالينَ كَذّابينَ، كُلُّهم يَقولُ: أنا نَبيٌّ، أنا نَبيٌّ.&lt;br&gt;
অর্থ: কিয়ামতের পূর্বে ৩০ জন চরম মিথ্যুক, মহাপ্রতারকের আবির্ভাব হবে, যাদের প্রত্যেকেই বলবে: “আমি নবী, আমি নবী”। (মুসনাদে আহমান। ৯৫৪৮)&lt;br&gt;
ইতিহাস থেকে:&lt;br&gt;
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই আলামতটির বাস্তবতা স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো ফুটে ওঠে। এই আলামতটি খোদ রাসূলের যুগেই শুরু হয়েছে। রাসূলের জীবনের শেষের দিকে মুসাইলামাতুল কাযযাব, আসওয়াদ আনাসী ও তুলাইহাহ ইবনে খুওয়াইলিদ আসাদী নবুওয়াতের দাবি করে। এদের মধ্যে শুধু তুলাইহাহ ইবনে খুওয়াইলিদ দ্বিতীয়বার ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছিলেন এবং ইমানের সাথেই ইন্তিকাল করেছিলেন।&lt;br&gt;
পরবর্তী সময়ে এই তালিকায় আরো অনেকের নাম জমা পড়ে। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলো:&lt;br&gt;
সাজ্জাহ বিনতুল হারেস। এই প্রতারক মহিলা রাসূলের ইন্তিকালের পর নবুওয়াতের দাবি করে। ৪ হাজারের বেশি অনুসারী তৈরি হয়। মুসাইলামাতুল কাযযাবের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। মুসাইলামা তাকে নিজের তথাকথিত নবুওয়াতের অর্ধেক দান করে দেয়। আমীরে মুয়াবিয়া রা. এর শাসনামলে সে তাওবা করে মুসলমান হয়ে যায়।&lt;br&gt;
মুখতার ইবনে আবি উবাইদ সাকাফী। এই বদবখত কুফা দখল করে নিয়েছিল। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রাযিয়াল্লাহু আনহুর নির্দেশে মুসআব ইবনে যুবাইর রা. কুফায় আক্রমণ করলে মুখতার সাকাফী পরাজিত হয় এবং নিহত হয়। সময়টা ছিল ৬৭ হিজরী। এভাবে হারিস ইবনে সাঈদ কাযযাব, আবু তাহের কারমিতী এবং মিরজা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানীরা যুগে যুগে নবুওয়াতের মানসাব নিয়ে টানাটানি করেছে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে লাঞ্ছিত করেছেন।&lt;br&gt;
মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী:&lt;br&gt;
আমাদের এই উপমহাদেশে মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী নিজেকে নবী দাবী করে। এই বদবখত ১৮৮০ সাল থেকে বিভিন্ন দাবী দাওয়া করতে থাকে। কখনো নিজেকে মুজাদ্দিদ, (ধর্মীয় সংস্কারক) কখনো মুলহাম মিনাল্লাহ (আল্লাহর পক্ষ থেকে ইলহাম প্রাপ্ত)। কখনো নিজেকে ইমাম মাহদী বলেও দাবী করে এবং সর্বশেষ ১৯০০/১৯০১ সালে নিজেকে সরাসরি নবী দাবী করে বসে। ১৯০৮ সালে মৃত্যু অবধি সে এই দাবীর উপরেই অটল ছিল। আল্লাহ এই মালউনকে জাহান্নামে সর্বোচ্চ আজাবে পাকড়াও করুন,আমিন।&lt;br&gt;
মূলত ব্রিটিশদের মদদেই মির্জা গোলাম তার কাদিয়ানী জামাত তৈরি করেছিল। পরবর্তীতেও কাফেরদের মদদেই তারা টিকে থেকেছে।&lt;br&gt;
কাদিয়ানীদের ব্যাপারে এখানে বেশি কিছু বলবনা, শুধু একটি তথ্য উল্লেখ করবঃ গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের হাইফায় কাদিয়ানীদের একটা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ নিজে কাদিয়ানীদের ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তব্য দেয়। কাদিয়ানী কাফেরদের সাথে ইহুদী-খ্রিষ্টান কাফেরদের সম্পর্ক বুঝতে হলে এই ধরনের ঘটনাই যথেষ্ট।&lt;br&gt;
চরম মিথ্যুক, মহা প্রতারক মির্জা গোলাম কাদিয়ানীও মূলত কিয়ামতেরই একটি আলামত। আল্লাহ তায়ালা সকল মুসলমানকে এদের কুফর থেকে হেফাজত করুন, কিয়ামতের পূর্বেই আখরাতের পাথেয় অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমীন।&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>কিয়ামতের আলামত।। পর্ব-৪।। হিজাযের ভূমি থেকে বিশাল অগ্নিকুণ্ড প্রকাশ।।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 03:47:42 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-4-hijaayer-bhuumi-theke-bishaal-agnikunndd-prkaash--3aac</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/kiyyaamter-aalaamt-prb-4-hijaayer-bhuumi-theke-bishaal-agnikunndd-prkaash--3aac</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fx3squkudoikmvcgnulna.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fx3squkudoikmvcgnulna.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হাদীস থেকেঃ&lt;br&gt;
সহীহ বুখারীর ৭১১৮ নম্বর এবং সহীহ মুসলিমের ২৯০২ নম্বর হাদীসে হযরত আবু হুরাইরা রা. এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ হিজাযের ভূমি থেকে এক বিশাল আগুন বের হবে, যা (সিরিয়ার) বুসরা শহরে অবস্থিত উটগুলোর ঘাড়সমূহ পর্যন্ত আলোকিত করে দেবে। অর্থাৎ, সেই আগুন এত উঁচুতে উঠবে যে, তার আলোয় সিরিয়ার বুসরা শহরের উটগুলোকেও দেখা যাবে।&lt;br&gt;
হাদীসটির আরবী পাঠ:&lt;br&gt;
لا تَقُومُ السّاعَةُ حتّى تَخْرُجَ نارٌ مِن أرْضِ الحِجازِ تُضِيءُ أعْناقَ الإبِلِ ببُصْرى.&lt;br&gt;
صحيح البخاري (٧١١٨) أخرجه مسلم (٢٩٠٢)&lt;br&gt;
মুসনাদে আহমাদে হযরত আবু যর গিফারি রা. এর সূত্রে আরেকটি সহীহ রেওয়াত এসেছে।&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: অচিরেই ইয়েমেনের একটি পাহাড় থেকে আগুন বের হবে, যার আলোয় বুসরার উটের ঘাড়ও দিনের আলোর মতো স্পষ্ট দেখা যাবে। (মুসনাদে আহমাদ, ২১৩২৭)&lt;br&gt;
ইতিহাস থেকেঃ&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ঐতিহাসিক এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছে ৬৫৪ হিজরির জুমাদাল আখিরাহ মাসের ৫ তারিখ রোজ শুক্রবার। ইংরেজি তারিখ হিসেবে ১২৫৬ খ্রিস্টাব্দের পহেলা জুন। মূলত এরও কিছুদিন পূর্ব থেকেই—মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকেই—প্রচণ্ড আওয়াজ এবং থেকে থেকে ভূমিকম্প শুরু হয়। এতে মসজিদে নববীর মিম্বার পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অবশেষে শুক্রবার আগ্নেয়গিরির আকার ধারণ করে এই অগ্নিকুণ্ড প্রকাশ পায়। টানা ৫২ দিন পর্যন্ত এই আগুন শুধু বাড়তেই থাকে। এবং লাগাতার ৩ মাস পর্যন্ত তা জ্বলতে থাকে। সেই যুগের বিখ্যাত মনীষীগণ নিজেদের লিখনীতে ঘটনার বিবরণ তুলে ধরেছেন। যাদের মধ্যে ইমাম নববী, ইমাম কুরতুবী রা. অন্যতম।&lt;br&gt;
উল্লেখ্য যে, কিয়ামতের একেবারে নিকটবর্তী সময়ে একটা আগুন প্রকাশ পাওয়ার ব্যাপারে হাদীস পাওয়া যায়-যা মানুষকে তাড়িয়ে সিরিয়াতে একত্রিত করবে। আমাদের এই আলোচনায় বর্ণিত আগুন সেটি নয়। &lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>সম্প্রতি বাংলাদেশ স'র'ক|রের র|ষ্ট্র'প'তি হি*ন্দুদের খুশি করার জন্য দূর্গা মূর্তির ব্যাপারে জ'ঘ'ন্য শিরকী মন্তব্য করেছে।</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 09:09:02 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/smprti-baanlaadesh-srkrer-rssttrpti-hinduder-khushi-kraar-jny-duurgaa-muurtir-byaapaare-jghny-1f8d</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/smprti-baanlaadesh-srkrer-rssttrpti-hinduder-khushi-kraar-jny-duurgaa-muurtir-byaapaare-jghny-1f8d</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fjeqa8tu8dc5g734d75xi.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fjeqa8tu8dc5g734d75xi.jpg" alt=" " width="526" height="526"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সে বলেছে- 'পৃথিবীতে যখন অ/ন্যায় নেমে এসেছিল তখনই দেবী দূর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।'&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এমন বক্তব্য সরাসরি ঈমান ও ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক, কোন মুসলিম স্বার্থ হাসিলের জন্য হোক বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে হোক, এমন বক্তব্য দিলে ঈমানহারা হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যায় দূর করা, সৃষ্টিজগতের নিয়ন্ত্রণ ও সাহায্য করার একমাত্র ক্ষমতা এককভাবে আল্লাহ তাআলার। কোনো কাল্পনিক দেবী বা মূর্তিকে অন্যায় দমনকারী বা উদ্ধারকর্তা হিসেবে বিশ্বাস করা মূলত আল্লাহ তাআলার সাথে অংশীদার স্থাপন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আল্লাহ তাআলা বলেছেন-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;وَلَا تَدْعُ مِنْ دُونِ اللهِ مَا لَا يَنْفَعُكَ وَلَا يَضُرُّكَ ۖ فَإِنْ فَعَلْتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظَّالِمِينَ&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর তুমি আল্লাহকে ছাড়া এমন কাউকে ডেকো না, যে তোমার কোনো উপকারও করতে পারে না, অপকারও করতে পারে না। যদি তুমি তা করো, তবে অবশ্যই তুমি যালেমদের (মুশরিকদের) অন্তর্ভুক্ত হবে। -[সুরা ইউনুস আয়াতঃ ১০৬]&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দ্বিতীয়ত আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর অন্যায় অবিচার অনাচার দূর করার জন্য নবী আলাআলাইহিমুস সালামদের আহ্বানকারী হিসেবে পাঠিয়েছেন। নবীরা এসে মানুষকে কল্যাণের দিকে ডেকেছেন। কোন কাল্পনিক মূর্তি এই কাজ করেনি, করতে পারবেওনা। কারণ যে সামান্য মাছি তাড়াতে পারেনা সে কি করে এমন কাজ করবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অতএব যারা নির্জীব মূর্তিকে অন্যায় দূরকারী, অধিক ফসল উৎপাদনকারী বলে বক্তব্য দেয়, এই ধরনের কুফরী বক্তব্য ও কাজকে স্বাভাবিক মনে করে তাদের নিকট মুসলিম উম্মাহ কল্যাণের আশা রাখতে পারেনা। ইতিপূর্বেও কখনো এরা উম্মাহর স্বার্থে কাজ করেনি। এরা মুসলিমদের শাসক নয়, শাসক হিসেবে কোনো সেক্যুলার-হি*ন্দুত্ববাদী-ব|মপন্থীর বিন্দুমাত্র বৈধতা কিংবা স্বীকৃতিও ইসলাম দেয়না।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যেই গ'ণ'ত|ন্ত্রিক ব্যবস্থা তাদেরকে এমন বক্তব্য দিতে প্ররোচিত করে, আলেম উলামাদেরকে পূজা মণ্ডপ পাহারা দিতে, পূজা মণ্ডপে গিয়ে শিরকের সাথে একাত্মতা পোষণ করতে শেখায় সেই ব্যবস্থা দিয়ে অন্য কারো স্বার্থ হাসিল হলেও ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহ শুধু ক্ষতিগ্রস্থই হবে। সম্প্রীতির নামে ঈমান বিসর্জনের প্রতিযোগিতা দেখবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;-&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রিয় মুসলিম ভাই বোনদের প্রতি আহবান- তথাকথিত ধর্মীয় সম্প্রীতির শ্লোগানে প্রতারিত হয়ে আমরা যেন ঈমান ও তাওহীদ বিকিয়ে না দেই। কথা বার্তা ও কাজ করার সময় সতর্ক থাকব, যেন আমার থেকে কোনভাবে ঈমানবিরোধী কথা ও কাজ প্রকাশ না পায়।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শাইখ তামিম আল আদনানী হাফিজাহুল্লাহ&lt;/p&gt;

</description>
    </item>
    <item>
      <title>তিনি যখন বিদায় নিলেন...</title>
      <dc:creator>Ummah Network</dc:creator>
      <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 12:01:30 +0000</pubDate>
      <link>https://dev.to/ummahnetwork/tini-ykhn-bidaayy-nilen-23f3</link>
      <guid>https://dev.to/ummahnetwork/tini-ykhn-bidaayy-nilen-23f3</guid>
      <description>&lt;p&gt;&lt;a href="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fqy239l6fufxz0zjpmakx.jpg" class="article-body-image-wrapper"&gt;&lt;img src="https://media2.dev.to/dynamic/image/width=800%2Cheight=%2Cfit=scale-down%2Cgravity=auto%2Cformat=auto/https%3A%2F%2Fdev-to-uploads.s3.us-east-2.amazonaws.com%2Fuploads%2Farticles%2Fqy239l6fufxz0zjpmakx.jpg" alt=" " width="800" height="800"&gt;&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এগারো হিজরী, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স তখন তেষট্টি। কয়দিন আগে বিদায় হজ্বের ভাষণে তিনি সমবেত সবাইকে বিদায়ী নসীহত করে এসেছেন। সেই সফরেই আরাফা প্রান্তরে জুমার দিন বিকেলে নাযিল হয়- &lt;br&gt;
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلامَ دِيناً&lt;br&gt;
আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিআমাত পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে কবূল করে নিলাম।-[সুরা মায়েদা ৩] &lt;br&gt;
সে দিনই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন দ্বীন যেহেতু পূর্ণ হয়ে গেছে, এই ইহজগতে তাঁর কর্তব্যও ফুরিয়ে আসছে। শীঘ্রই তাঁকে আল-বিদা জানাতে হবে দুনিয়ার জীবনকে। &lt;br&gt;
নবিজী হজ্বের কার্যক্রম শেষ করে মক্কা থেকে মদিনায় ফিরে এলেন। ওফাতের আগ পর্যন্ত মদিনাতেই রইলেন। এই সময় তিনি মুতার যুদ্ধের শহীদদের প্রতিশোধ নিতে এবং রোমান সীমান্ত সুরক্ষিত করতে উসামা বিন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর নেতৃত্বে বালকা ও ফিলিস্তিন অঞ্চলে অভিযান পরিচালনার জন্য বাহিনী গঠন করেন। &lt;br&gt;
জীবনের শেষ কয়দিন-&lt;br&gt;
সফর মাসের শেষ দিকে অথবা রবীউল আউয়াল মাসের প্রথম দিন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হন, এই অসুস্থতায়ই তিনি দুনিয়ার সফর শেষ করেন।&lt;br&gt;&lt;br&gt;
ওফাতের পাঁচদিন আগে বুধবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতা বেড়ে যায়। এ সময় হযরত উম্মে সালামা ও উম্মে হাবীবা রাদিয়াল্লাহু আনহা হাবশাতে দেখা খ্রিষ্টান ধর্মনেতাদের জাঁকজমকপূর্ণ কবরের কথা আলোচনা করেন। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- &lt;br&gt;
لَعْنَةُ اللهِ عَلَى الْيَهُوْدِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوْا قُبُوْرَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ&lt;br&gt;
ইয়াহূদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা'নত, তারা তাদের নবীদের (নবীদের) কবরকে মাসজিদ বানিয়ে নিয়েছে।-[বুখারী ৪৪৪৩]&lt;br&gt;
এরপর তিনি বেহুঁশ হয়ে যান। হুঁশ ফিরলে তিনি বলেন-&lt;br&gt;
هَرِيْقُوْا عَلَيَّ مِنْ سَبْعِ قِرَبٍ لَمْ تُحْلَلْ أَوْكِيَتُهُنَّ لَعَلِّيْ أَعْهَدُ إِلَى النَّاسِ&lt;br&gt;
তোমরা আমার ওপর সাতটি মশক থেকে পানি ঢালো, যেগুলোর মুখ এখনও খোলা হয়নি, যাতে আমি সুস্থ হয়ে মানুষকে নসিহত করতে পারি। -[সহীহ বুখারী ৪৪৪২] &lt;br&gt;
এরপর তিনি বাইরে বের হন, এক পর্যায়ে তিনি দেখেন আনসারী সাহাবীরা কান্না করছে। তখন তিনি তাঁদেরকে শান্তনা দেওয়ার জন্য মাথায় পট্টি বেঁধে শেষবারের মত মিম্বরে আরোহন করেন। এরপর আর কখনো তিনি মিম্বরে আরোহন করেননি। তখন তিনি সমবেতদের উদ্দেশ্য করে বলেন- &lt;br&gt;
أُوصِيكُمْ بِالأَنْصَارِ فَإِنَّهُمْ كَرِشِيْ وَعَيْبَتِيْ وَقَدْ قَضَوْا الَّذِيْ عَلَيْهِمْ وَبَقِيَ الَّذِيْ لَهُمْ فَاقْبَلُوْا مِنْ مُحْسِنِهِمْ وَتَجَاوَزُوْا عَنْ مُسِيئِهِمْ&lt;br&gt;
আমি তোমাদেরকে আনসারদের বিষয়ে অসিয়ত করে যাচ্ছি। তারা আমার বিশ্বস্ত ও অন্তরঙ্গ। তারা তাদের দায়িত্ব সম্পূর্ণ করেছে। কিন্তু তাদের প্রাপ্য বাকী রয়েছে। অতএব তোমরা তাদের উত্তমগুলি গ্রহণ করো এবং ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়ো। -[বুখারী ৩৭৯৯] &lt;br&gt;
অতঃপর নবিজীর অসুস্থতা আরো বেড়ে যায়, সে সময় বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু নবিজীকে ﷺ নামাযের সময় হয়েছে বলে খবর দিতে যান। উত্তরে নবিজী বলেন- আবু বকরকে বলো সে যেন নামায পড়ায়। তখন বিলাল ও আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কোমল হৃদয়ের কথা তুলে ধরে আপত্তি জানান। তারা বলেন- আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কোমল হৃদয়ের লোক, তিনি আপনার স্থানে দাঁড়ালে কেঁদে ফেলবেন এবং কিরাআত পড়তে পারবেন না। কিন্তু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকেই ইমামতি করার আদেশ করেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামায পড়ান। নামাযের সময় নবী ﷺ দুই ব্যক্তির কাঁধে ভর করে বের হয়ে আসেন। দুর্বলতার কারণে নিজের পা দুটো মাটিতে টেনে টেনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।&lt;br&gt;
যখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে দেখতে পেলেন, তখন তিনি পিছিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু নবী ﷺ তাঁকে ইশারা করে বললেন, "তুমিই নামাজ পড়াও।" -[বুখারী ৭১২] &lt;br&gt;
এরপর থেকে ওফাত পর্যন্ত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু নামায পড়ান।&lt;br&gt;
শেষ দিন- &lt;br&gt;
সেদিন ছিল সোমবার, সাহাবায়ে কেরাম কাতারবদ্ধ হয়ে ফযরের নামায আদায় করছিলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুজরার পর্দা সরিয়ে এই দৃশ্য দেখলেন। দেখে খুবই অভিভূত হলেন, মুগ্ধ হলেন। তিনি দেখছিলেন- তাঁর তেইশ বছরের মেহনত সফল, তাঁর হাতে গড়া সাহাবীদের রবের সাথে সম্পর্ক তাঁর অনুপস্থিতিতেও অটল, এই সম্পর্ক বড় মজবুত, যা কখনো ভাঙবার নয়। &lt;br&gt;
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ সেদিন ছিল সোমবারের ভোর। সাহাবায়ে কেরাম ফজরের সালাতে কাতারবদ্ধ। সামনে দাঁড়িয়ে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইমামতি করছেন। হঠাৎ আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার হুজরার পর্দা সরে গেল। উঁকি দিয়ে তাকালেন রাসূলুল্লাহ ﷺ।&lt;br&gt;
সারিবদ্ধভাবে নামাযে দাঁড়িয়ে থাকা প্রিয় সাহাবিদের দেখে তাঁর পবিত্র মুখে ফুটে উঠল এক টুকরো মুচকি হাসি।&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ ﷺ হয়তো সালাতে অংশ নিতে বাইরে আসছেন ভেবে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু পেছনের কাতারে গিয়ে শামিল হতে চাইলেন। &lt;br&gt;
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন- সে সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দেখে সাহাবিদের হৃদয়ে আনন্দের এমন এক হিল্লোল বয়ে গেল যে, খুশিতে তাদের নামায প্রায় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ ﷺ তখন হাতের ইশারায় তাঁদের সালাত পূর্ণ করার আদেশ দিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;
  
  
  তারপর তিনি হুজরায় ফিরে গেলেন এবং পর্দা নামিয়ে দিলেন।-[বুখারী ৪৪৪৮]
&lt;/h2&gt;

&lt;p&gt;ওফাতের আগে তিনি রবের দরবারে হাজির হওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিলেন। বারবার বলছিলেন-&lt;br&gt;
اللهُمَّ الرَّفِيْق الْأَعْلَى&lt;br&gt;
হে আল্লাহ! আমি সর্বোচ্চ বন্ধুর সান্নিধ্য চাই।&lt;br&gt;
এরপর নবিজীর মৃত্যুর কষ্ট শুরু হয়। সে সময়কার পুরো বর্ণনা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন- &lt;br&gt;
আমার প্রতি আল্লাহ তাআলার অনেক বড় অনুগ্রহ যে, আমার ঘরে, আমার পালার দিনে এবং আমার গন্ডদেশ ও সিনার মাঝে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকাল হয় এবং আল্লাহ তা'আলা তাঁর ইন্তিকালের সময় আমার থুথু তাঁর থুথুর সঙ্গে মিশ্রিত করে দেন। এ সময় আবদুর রহমান রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার কাছে আসেন এবং তার হাতে মিসওয়াক ছিল। আর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (আমার বুকে) হেলান অবস্থায় রেখেছিলাম। আমি লক্ষ্য করলাম যে, তিনি 'আবদুর রহমানের দিকে তাকাচ্ছেন। আমি বুঝলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিসওয়াক চাচ্ছেন। আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আপনার জন্য মিসওয়াক নিব? তিনি মাথা নাড়িয়ে বললেন যে, হ্যাঁ। তখন আমি মিসওয়াকটি নিলাম। কিন্তু মিসওয়াক ছিল তার জন্য শক্ত, তাই আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি এটি আপনার জন্য নরম করে দিব? তখন তিনি মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বললেন। তখন আমি তা চিবিয়ে নরম করে দিলাম। এরপর তিনি ভালভাবে মিসওয়াক করলেন। তাঁর সম্মুখে পানির পাত্র ছিল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় হস্তদ্বয় পানির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে তার দ্বারা তাঁর চেহারা মুছতে লাগলেন। আর তিনি বলছিলেন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সত্যিই মৃত্যু-যন্ত্রণা কঠিন। তারপর দুই হাত উপরের দিকে উঠিয়ে বলছিলেন, আমি সর্বোচ্চ বন্ধুর সান্নিধ্য চাই। এই অবস্থায় তাঁর ইন্তিকাল হল আর হাত শিথিল হয়ে গেল। -[বুখারী ৪৪৪৯] &lt;/p&gt;

</description>
      <category>culture</category>
      <category>learning</category>
      <category>writing</category>
    </item>
  </channel>
</rss>
